ফেন্টেইল/Fantail বা লক্ষা কবুতরের দাম জাত পরিচিতি এবং বিভিন্ন অজানা দিক ২০২১।
বৈজ্ঞানিক নামঃColumba livia domestica
জাতের ধরনঃফেন্সি/Fancy
উওপওি স্থানঃস্পেন,পাকিস্তান,ভারত,চিন
লক্ষা বা ফেন্টেইল হচ্ছে ফেন্সি বংশের কবুতর এই জাতের অনেক ধরনের কবুতর পাওয়া যায় বাংলাদেশেও অনেক ধরনের ফেন্টেইল পাওয়া যায়।
যেমনঃ
ইংলিশ ফেন্টেইল,থাই ফ্যান্টেইল,ইন্ডিয়ান ফেন্টেইল
ইংলিশ ফ্যান্টেইলঃ
ইংলিশ ফ্যদন্টেইল হলো অত্যাধুনিক ফ্যান্টেইল জাতের কবুতর এদের উতপওি ভারতে এবং এই জাতকে উন্নত করা হয়েছে ইংল্যান্ডেে।অন্নান্য সকল কবুতরের মতো এরাও (Rock Pigeon) বা জালালি কবুতরের বংশধর।
এদের লেজের পালকঃ৩০ থেকে ৪০ টা পর্যন্ত হতে পারে।
এদের মাথায় ঝুটি এবং পায়ে মুজা থাকে না।
এদের ছদ্দনাম হচ্ছেঃGarden Fantail
ইন্ডিয়ান ফেন্টেইলঃ
এদের উতপওি ভারতেই তবে কিছু কিছু অারটিক্যাল অনিযায়ী এদের উতপওি স্এপেনে এবং পরবর্তীতে ভারতে আমদানি করা হয়েছিলো। অতপর ইন্য়াডির বিভিন্ন জাত উন্নয়নকারী সংস্থার সাহায্যে উন্নত হয়েছে।এরা ইংলিশ ফ্যান্টেইল এর থেকে আকারে অনেক বেশি বড় হয়ে থাকে এরং পায়ে মুজা এবং মাথায় ঝুটি থাকে। অন্নান্য কবুতরের মতোই এরাও Rock Pigeon বা জালালি কবুতরের বংশধর।
এদের গড় উচ্চতা ১১ ইন্চি এবং গড় ওজন ৩৬৯ গ্রাম হয়ে থাকে।
থাই ফ্যান্টেইলঃ
এদের আদিনিবাস ভারতে কিন্থাতু এই জাতটাকে উন্নত বা বিকষিত করা হয়েছে থাইল্যান্ডে একারনেই ইন্ডিয়ান ফ্যান্টেইল এবং থাই ফ্যান্টেইল এর মধ্যে কিছুটা সাদৃশ্যতা লক্ষ করা যায়।
এদের গড় ওজন ৪৩১-৪৩৫ গ্রাম হয়ে থাকে।
স্বাধারনত এদের লেজর পালক হয় ৩০-৪০ টি।
এরা আকারে ইংলিশ ফ্যান্টেইল থেকে বড় হয়।
এদের লেজ পাখা আকৃতির হওয়ার কারনে এদেরকে ফেন্টেইল বলা হয় আমাদের দেশে অনেকেই এদেরকে লক্ষা,ময়ূর পংখী বা ময়ূরী নামেও ডাকে।
১১৫০ সালে এটি প্রথম স্পেন থেকে ইন্ডিয়াতে আমদানি করা হয় এবং ১৫৬০ সালে এর জাত উন্নয়নের কাজ শুরু করে ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানীরা।
ইন্ডিয়ার পরবর্তীতে ইংল্যান্ড এবং থাইল্যান্ড ও এই জাত উন্নয়ণ করেছে।
এদেরকে পছন্দ করার কারনঃ
এদের নম্র ভদ্র সভাব,আদার পৃয়তা,এবং তাদের ময়ূরের মতো ছড়ানো লেজ।
ইত্যাদি।
গঠনগত বর্ননাঃ
লেজঃ
এদের লেজের পালক ৩০ থেকে ৪২ টি হতে পারে।এবং লেজের পালকের দৈর্ঘ্য হতে পারে ৬ থেকে ১০ ইন্চি পর্যন্ত।
গলাঃ
এদের গলা হয়ে থাকে অনেকটা বাকা এবং স্বাধারন গলাকষা কবুতরের মতো।
পাঃ
এদের পায়ে থাকে বড়-বড় পালক বা মুজা এদের মুজা ৩ থেকে ৬ ইন্চি পর্যন্ত হতে পারে।
ঝুটি এবং মুজাঃ
কিছু-কিছু জাতের মাথায় ঝুটি এবং পায়ে মুজা থাকে আবার কিছু-কিছু জাতের মাথায় ঝুটি বা পায়ে মুজা থাকে না।
পালন পদ্ধতিঃ
ফেন্টেইল ফেন্সি বংশতালিকার একটি জাত ফেন্সি বংশের অধিকাংশ কবুতর-ই উরতে পারেনা বা কম উরে লক্ষাও এর ব্যাতিকরম নয় যেহেতু এদের লেজ ছড়ানো থাকে তাই এরা বেশি উরতে পারেনা।তাই এরা খুব সহজেই কুকুর-বিড়াল এর উপযুক্ত শিকার পরিনত হতে পারে তাই এদেরকে ছেরে না রেখে খাচায় আটকে রেখে পালন করাটাই ভালো।
এবং সুষম খাদ্য সরবরাহ করা আবশ্যক অন্যথায় বশানরূপ ফলাফল পাওয়া অসম্ভব।
আর এমনিতেও ফেন্সি কবুতর খুবই সংবেদনশীল হয়ে থাকে এদের রোগ প্রতিরোধ খমতা কম থাকে খাচায় থাকলে তাদের অসুবিধাগুলো সহজে বুঝা যায় এবং চিকিৎসা করা যায় যা ছেরে পালন করলে তেমন সহজে করা যায় না।
বংশবৃদ্ধিঃ
শুধু ফেন্টেইল-ই নয় যেকোনো ফেন্সি কবুতর-ই অন্নান্য কবুতরের তুলনায় কম গতিতে বংশবৃদ্ধি করে।এরা ডিমে তা দেয়া আর বাচ্চা বড় করাতেও তেমন পারাদর্শী হয় না। এরা কখনো ডিম ভেঙে ফেলে আবার কখনো না খাইয়ে বাচ্চা মেরে ফেলে এমনকি এদেরকে দিয়ে বাচ্চা বড় করালে এরা অসুস্থ-ও হয়ে পরতে পারে কারন এরা খুবই শংবেদনশীল হয় অন্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পরে এবং ছোট খাট রোগের দ্বারাই মারাত্বক অসুস্থ হয়ে পরে। তাই এদের ডিম ফোস্টারিং এর মাধ্যনে ফুটানো হয় এবং বাচ্চাও ফোস্টার কবুতর-ই পালন করে এবং বড় করে।
প্রতি ২ থেকে ৩ মাস পর-পর এক জোরা বাচ্চা পাওয়া যায় এটা নির্ভর করে পালন পদ্ধতি এবং আপনি কতটা যত্নের সাথে তাদেরকে পালন করছেন তার উপর।
কালার বা রংঃ
কালো,সাদা,এ্যালমন্ড,হলুদ,লাল ইত্যাদি।
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
![]() |
Shutterstock.com |
মন্তব্যসমূহ